Thursday, October 12, 2017

গাজীপুরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার ।

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রানা (২০) নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ধর্ষককে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মো. রানা (২০) গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকার বেড়াইদের চালা গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের ছেলে 

শ্রীপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহসিন মিয়া জানান, শ্রীপুরের বেড়াইদের চালা এলাকার ওই স্কুলছাত্রীর বাবা-মা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। বুধবার বিকেলে বাড়ির লোকজনের অনুপস্থিতির সুযোগে প্রতিবেশী বখাটে যুবক রানা কৌশলে তার বাড়িতে নিয়ে ওই শিশুকে ধর্ষণ করে।


এ ঘটনায় বুধবার রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে শ্রীপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ ধর্ষক রানাকে তার বাড়ি থেকে বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতার করে। ধর্ষণের শিকার ওই শিশুটিকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আদালতের মাধ্যমে তার বাবা-মা’র কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। 
                                                                  বিস্তারিত জানুন >>

Sunday, October 8, 2017

১৪ বছরের নাতিন কে জঙ্গলে একা পেয়ে নানা কি করলো।দেখুন ভিডিওতে।


১৪ বছরের নাতিন কে জঙ্গলে একা পেয়ে নানা কি করলো।দেখুন ভিডিওতে।




                                                                    <<<<> ভিডিও লিংক <>>>>

১৪ বছরের নাতিন কে জঙ্গলে একা পেয়ে নানা কি করলো
Sep 4, 2017 – গাজীপুরে ৫ বছরের নাতনিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ নানা গ্রেফতার … সেদিন রাত ১০টার দিকে বিশ্রাম নেয়ার কথা বলে নানা আবুল কাশেম শয়ন কক্ষের পাশের দোকান থেকে ঘরের ভেতরে যায় এবং তার স্ত্রীকে দোকানে পাঠায়। এক পর্যায়ে নানাঘুমিয়ে থাকা নাতনিকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে ঘুম ভেঙ্গে যায় এবং চিৎকার করে উঠে নাতনি। নাতনির কান্নার … গাজীপুরে নিখোঁজের ২৫ দিন পর জঙ্গলে শিয়ালে খাওয়া স্কুল ছাত্রের লাশ. কিন্তু আজ যেন তার অবসরজীবনও শেষ হয়ে এসেছে। আজ যেন নিজ অস্তিত্ব ও ইতিহাসবিস্মৃত তিনি — স্মৃতি-বিস্মৃতির সীমানায় দাঁড়িয়ে তাৎপর্যহীন বেঁচে থাকার বিভ্রমে বিহ্বল থাকেন সবসময়। সায়মা নানার কথা ভাবে। নানা আজ তাকে চিনতে পারেন না। –তুই কে রে? —নানা আমি সায়মা। –কোন সায়মা? –আপনার নাতনি সায়মা।আমবাগানে খেলার সময় প্রতিবেশি এক নানা কতৃক ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১০ বছরের এক শিশু। শুক্রবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নে এঘটনা ঘটে। এঘটনায় ওইদিন রাতে ভুক্তভোগী শিশুটির পিতা বাদি হয়ে অভিযুক্ত নানা রহমত আলীর বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। রহমত ছোট হাদিনগর চামাটোলাঢাকায় থাকার জায়গা চান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতনি. সারাদেশঢাকাTop … অনিন্দিতা কাজী বলেন, ‘দাদুকে কেন্দ্র করে নানা উপলক্ষে আমাদের বাংলাদেশে আসতে হয়। এখানে এসে … গত বছর এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি লিখিত আবেদন করেছেন জানিয়ে কবির নাতনি বলেন, ‘আমরা ওনাকে (প্রধানমন্ত্রী) অনেক ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি। উনি এ বিষয়ে … সন্তানদের নিষ্ঠুরতায় ১০বছর জঙ্গলে বৃদ্ধা

অন্যরা যা পড়ছে…

পৃথিবীর কুখ্যাত ০ ১খুনির তালিকায় একজন বাংলাদেশী !

১৯৫৭ সালের ২৫ জানুয়ারি কলম্বিয়াতে জন্ম নেয়া এই খুনি ১৯৯০ সালেই সবচেয়ে বেশি খুন করে। কলম্বিয়ার আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৩০ বছরের সাজা হয় তার!
লুইস গারাভিতো:
ইতিহাসের অন্যতম কুখ্যাত এই খুনি। তার প্রমাণিত খুনের ভিকটিম ১৩৮ জন। কিন্তু সন্দেহ করা হয় সে কমপক্ষে ৪০০ জনের উপরে মানুষ খুন করেছে।
খুনের মাঝে অধিকাংশই পথশিশু। ১৯৫৭ সালের ২৫ জানুয়ারি কলম্বিয়াতে জন্ম নেয়া এই খুনি ১৯৯০ সালেই সবচেয়ে বেশি খুন করে। কলম্বিয়ার আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৩০ বছরের সাজা হয় তার!
তাছাড়া সে লাশ শনাক্ত করতে পুলিশকে সাহায্য করায় তার সাজা কমিয়ে ২২ বছর করা হয়। এই সাজায় সারা বিশ্বের গণমাধ্যমে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
কলম্বিয়ার জনগণ তার জন্য আলাদা প্রসিকিউশন গঠন করার দাবি জানায়। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয়নি। কলম্বিয়াতে সে খধ ইবংঃরধ (পশু) নামে পরিচিত।
জ্যাক দ্য রিপার :
ইতিহাসের অন্যতম ভয়ঙ্কর সিরিয়াল কিলার বলা হয় তাকে। ১৮৮৮ সাল থেকে ১৮৯১ সাল পর্যন্ত পূর্ব-লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেলের আশপাশ জুড়ে সর্বমোট এগারোটি খুনের ঘটনা ঘটিয়ে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার জ্যাক দ্য রিপার।
তার কোনো ছবি তো দূরে থাকুক জ্যাক দ্য রিপার নামে কখনো কোনো লোক ছিল কি-না এ সম্পর্কেও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এই খুনগুলো যখন লন্ডনজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা আর আতঙ্কের ঝড় বইয়ে দিল, তখন এসব খুনের দায়-দায়িত্ব স্বীকার করে জ্যাক দ্য রিপারের স্বাক্ষরযুক্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল লন্ডনের সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির কাছে।

Friday, September 15, 2017

রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদে উত্তাল বায়তুল মোকাররম এই নিয়ে আবার সমালচনা ।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের নির্বিচারে হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করছেন কয়েকটি ইসলামী দল।আজ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে হেফাজতে ইসলাম আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশকে ঘিরে হাজারো জনতার প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠে বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণ।





হেফাজতে ইসলামের পূর্বঘোষিত এই কর্মসূচিকে ঘিরে জুমার নামাজের আগ থেকেই হাজার হাজার কর্মী জড়ো হতে থাকেন। হেফাজতের এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন সাধারণ মানুষও।জুমার নামাজ শেষে বিক্ষোভ পূর্ব সমাবেশে বক্তারা বলেন, রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর নির্যাতন বন্ধ না হলে মিয়ানমারের পণ্য বর্জন করতে হবে। ফেরাউনের সময় শিশুদেরকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল, ঠিক সেভাবে আরাকানেও নির্যাতন করা হচ্ছে। অারাকানে সূচিকে ডুবিয়ে মারা হবে।
বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ্য করে তারা বলেন, বার্মার বিষয়ে অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে যুদ্ধ হবে।
রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে রক্ষা করতে প্রয়োজনে লং মার্চ করা হবে জানিয়ে তারা বলেন, আমাদের ভাইদেরকে রক্ষা করতে আমরা প্রস্তুত।

                                 বিস্তারিত জানুন >>>>

চালের দাম কমার আশা নেই




                               

চাল ছাড়া চলে না একদিনও। অথচ এই নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। কোরবানির ঈদের পরে সব ধরনের চালের দাম কেজিপ্রতি আট থেকে ১০ টাকা বৃদ্ধির খবরটি সবার জানা। সামনে চালের দাম আরো বাড়তে পারে এমন শঙ্কা এবার ছড়াচ্ছে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মাঝে। তাই মোহাম্মদপুরের এই চালের আড়তগুলোতে খুচরা বিক্রেতাদের পাশাপাশি আসছেন সাধারণ ক্রেতারাও।

বিক্রেতারা বলছেন, এখন যে দামে তারা চাল বিক্রি করছেন, দুই-একদিন পরে তাদের আরো বেশি দামে বিক্রি করতে হবে। কেননা তাদের এখন কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। চালের দাম বৃদ্ধির জন্য মিলারসহ সিন্ডিকেটকে দায়ী করেন তাঁরা।

আড়তদারদের অভিযোগ, বাড়তি দাম দিয়েও মিলারদের কাছে চাল পাওয়া যাচ্ছে না। আবার দামের অস্থিরতা দেখে নিজে থেকেই চাল কেনা বন্ধ রেখেছেন অনেক আড়তদার। চালের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সরকারের নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ তাঁদের।

আগামী মঙ্গলবার তিন মন্ত্রীর সঙ্গে মিলারসহ ব্যবসায়ীদের বৈঠক চালের বাজারে স্বস্তি আনতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা বিক্রেতাদের।
 
                                                            বিস্তারিত জানুন >>>>>

সন্তান বিক্রি করলেন এক পাষণ্ড বাবা।

মোবাইল ফোন কিনতে আর মদ খাওয়ার জন্য নিজের ১১ মাসের ছেলেকে বিক্রি করে দিয়েছেন
এক পাষণ্ড বাবা। হতবাক করা এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উড়িষ্যায়।

মঙ্গলবার পুলিশ উড়িষ্যার ভদ্রক থেকে লোভী বাবা বলরাম মুখিকে গ্রেফতারের পর ঘটনা সামনে চলে আসে। পুলিশি জেরায় নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছে সে।

পুলিশ সূত্র জানায়, মাত্র ২৩ হাজার রুপিতে নিজের ১১ মাসের শিশুপুত্রকে ষাটোর্ধ্ব এক দম্পতির কাছে বিক্রি করে বলরাম।

পরে প্রাপ্ত টাকা থেকে দুই হাজার রুপিতে নিজের জন্য একটা মোবাইল সেট কিনে। আর সাত বছরের মেয়েকে একটি রুপোর অ্যাঙ্কলেট কিনে দেন বলরাম।

আর বাকি টাকা সে মদ খেয়ে উড়িয়ে দেয়।

বলরাম দম্পতির ঘরে দশ বছরের একটি ছেলেও রয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশ বলরামের স্ত্রী সুকুটি ও তাদের সন্তানকে কেনা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী সোমনাথ শেঠি ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে জানিয়েছে।

                           বিস্তারিত জানুন >>>>>>>

রোহিঙ্গা গণহত্যার প্রতিবাদে ফ্রান্সে বিক্ষোভ


মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর গণহত্যার প্রতিবাদে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার প্যারিসের প্লাস দোলা রিপাবলিকে মানবাধিকার সংগঠন ফোরাম ফর দ্য ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের উদ্যোগে এ সমাবেশ হয়।



সংগঠনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আল আমিনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুব হোসাইনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি ফ্রান্স শাখার সাবেক সভাপতি ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস মিশনের গ্লোবাল চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মালেক ফরাজী, সাবেক ছাত্রনেতা বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফ্রান্স বিএনপির সাবেক সভাপতি সিরাজুল হক মিয়া, নজরুল গবেষক খোরশেদ আলম, ইউরোপ ভিত্তিক আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা কমিটির সদস্য হারুন ইউসুফ ,কমিউনিটি নেতা আইয়ুব আলী, বিএনপি নেতা আবুল কালাম ফরাজী, প্যারিস থেকে পত্রিকার সম্পাদক সোহাইল ইবনে হোসাইন, প্যারিস বাংলা প্রেসক্লাবের এনায়েত সোহেল, বরিশাল কমিউনিটি ফ্রান্সের সভাপতি মোতালেব খান, মানিকগঞ্জ সমিতির সভাপতি শাহিনুল ইসলাম, ফ্রসে আভেক রাব্বানীর প্রতিষ্ঠাতা কৌশিক রাব্বানী, ফোরাম ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের ট্রেজারার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, আরিফুজ্জামান ইমন, ইমরান হোসেন, আল মামুন খান , শিল্পী মারুফ বিন ওয়াহিদ, মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ কামাল উদ্দীন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সম্প্রতি সময় মিয়ানমারে যে নির্মম গণহত্যা চলছে তা বিশ্ব ইতিহাসে নজিরবিহীন। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও সিভিলিয়ান বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সন্ত্রাসীদের দ্বারা বিশ্ব ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাযজ্ঞ চলছে মুসলিম জনগোষ্ঠীর আদিভূমি আরাকানসহ মিয়ানমারের সর্বত্র। এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানায়। চলমান হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করতে এগিয়ে আসার জন্য বিশ্ববিবেকের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

বক্তারা আরও বলেন, শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চির নিরবতা প্রমাণ করে এই হত্যাযজ্ঞ এবং নারী ও শিশুদের উপর পাশবিক নির্যাতন তার নির্দেশে হয়েছে। সু চির নোবেল প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য নোবেল কমিটির প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা। এছাড়া বিশ্বব্যাপী মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাত্ত কর্মসূচি দেয়ার পক্ষে মত দেন।

‘মিয়ানমারের আরাকানের রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা একের পর এক কর্মসূচি অব্যাহত রাখব।’

                                       বিস্তারিত জানুন >>>>

ধর্ষণের অপরাধে ক্রিকেটারের ১৮ বছর জেল

 অবশেষে জেলে যাচ্ছেন সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার ডিয়োন তালজার্ড। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে এক নারীকে ১৫০ বারেরও বেশি ধর্ষণ করেছেন। সম্প্রতি সেই অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তারপরেই আদালতের রায়ে জেলই তার একমাত্র ঠিকানা হতে চলেছে আগামী ১৮ বছরের জন্য।   
           

                                                      <<<<<< ভিডিও  দেখতে >>>>>>














                                                        <<<<<< ভিডিও  দেখতে >>>>>>

ব্রিটেন মুলুকেই এক নারীর উপরে ২০০২-১২ পর্যন্ত দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ধর্ষণক্রিয়া চালান তিনি। রীতিমতো ব্ল্যাকমেলিং করেই নিজের কুকীর্তি চালিয়ে যেতেন ওই ক্রিকেটার। ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শুধুমাত্র যৌনক্রিয়াই নন, শারীরিকভাবেও সংশ্লিষ্ট ওই নারীকে অসংখ্য বার হেনস্থা করেছেন তিনি। অভিযোগ, গলা টিপে, দু-হাত ভাঁজ করে যন্ত্রণা দিতেন নারীকে।
সংবাদমাধ্যমে আরও জানানো হয়েছে, আরও অত্যাচারের ভয়ে তালজার্ডের গোপন কর্ম এতদিন ফাঁস করেননি নারী। তবে সমস্ত সহ্যের বাঁধ ভেঙে যায় ২০১৫ সালে। পুলিশকে খুলে সমস্ত বিষয় জানান নারী। তারপরেই চলতি সপ্তাহে ম্যাঞ্চেস্টারের মিনসুল স্ট্রিট ক্রাউন কোর্টে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এই ক্রিকেটার ঘরোয়া ক্রিকেটে বর্ডারের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত। তারপরেই তিনি খেলাধুলো ছেড়ে ইংল্যান্ডে পাড়ি দেন। ১৭ বছর আগে ব্রিটেনে পাড়ি দেয়ার পর ওল্ডহ্যাম, বোল্টন এবং বুরি-র হয়ে ক্লাব ক্রিকেটে খেলতেন তালজার্ড। তবে তালজার্ডের ক্যারিয়ারের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কৃতিত্ব হল, একটি প্রদর্শনী ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৬ উইকেট লাভ করা। হ্যাটট্রিক করেছিলেন মোহাম্মদ ইউসুফ, আজহার মাহমুদ এবং সাঈদ আনোয়ারকে আউট করে।

যদিও আদালতের এই রায় মানছেন না তালজার্ড। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে উচ্চতর আদালতে আবেদন করবেন তিন সন্তানের জনক ৪৭ বছরের এই ক্রিকেটার। তার পাশে রয়েছেন গার্লফ্রেন্ড জ্যাকেলিন কোস্তেলো। 
                                          বিস্তারিত>>>>>

মায়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ৪৮ টন ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে ইরান ও ইন্দোনেশিয়া।

মায়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ৪৮ টন ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে ইরান ও ইন্দোনেশিয়া। 

  <<<<ত্রাণ বিতরনের ভিডিও টি দেখুন >>>>

শুক্রবার শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছেছে
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইব্রাহীম রাহিমপুর তার দেশের ৪১ টন ত্রাণ সামগ্রী চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করেন।
এ সময় সংসদ সদস্য মঈনুদ্দিন খান বাদল উপস্থিত ছিলেন। ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে, তাঁবু তৈরীর সরঞ্জাম, কম্বল, ভোজ্য তেল ও কাপড়।
এ ছাড়া সন্ধ্যায় ৭ টন ত্রাণ নিয়ে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে এসেছে ইন্দোনেশিয়ার একটি বিমান। এসব ত্রাণ সামগ্রী উখিয়া, টেকনাফ ও নাইক্ষংছড়িতে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে।
এর আগে রোহিঙ্গাদের জন্য বৃহস্পতিবার ভারত থেকে ৫৩ টন এবং মরোক্কো থেকে ১৪ টন ত্রাণ সামগ্রী বিমানবন্দরে পৌঁছেছিল। গত ৯ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়া সরকার ১২ টন ত্রাণ সামগ্রী পাঠায়।

          
                                                                      বিস্তারিত জানুন >>>>>>
   

সু চি’কে গালাগালির ভিডিও ফেসবুকে; আটক ৩ ,ভিডিও টি দেখুন এখনি ।

মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনী ও সরকার সমর্থকদের সহিংসতা ও নির্যাতন অব্যাহত রয়েছে। প্রাণভয়ে তারা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছে। আর এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এক বৌদ্ধ ভিক্ষুকে ভয় দেখিয়ে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির নামে গালাগালির ভিডিও ধারণ করেছেন তিন যুবক।
       

                                                            <<<<<< ভিডিও  দেখতে >>>>>>


ধারণ করা ভিডিওটি তারা ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। আর এ ঘটনায় শুক্রবার ভোরে অভিযুক্ত তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ।


আটক যুবকরা হলেন- বেনাপোলের ভবারবেড় গ্রামের করিম হাওলাদারের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম মন্ডল (৩০), একই গ্রামের শের আলীর ছেলে কলেজছাত্র আমিন হোসেন (২৪) এবং দুর্গাপুর গ্রামের হাসান আলীর ছেলে তৌফিক আহমেদ (৩২)। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।



                                                                 

                                                                 <<<<<< ভিডিও  দেখতে >>>>>>

রাঙ্গামাটি জেলায় জ্ঞানমিত্র নামের ওই ভিক্ষু গত বুধবার ভারত থেকে দেশে ফেরার পর বেনাপোল বাজারে ওই যুবকরা তাকে ভয় দেখিয়ে অং সান সু চির বিরুদ্ধে গালিগালাজ করতে বাধ্য করে এবং তা ভিডিও করা হয়। পর দিনই তিনি প্রাণভয়ে আবার ভারতে চলে যান।

ভিক্ষু সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি চিকিৎসার জন্য এ বছরের মার্চে ভারতে যাই। গত বুধবার বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে আসি। বেনাপোল বাজারে পানি কিনতে একটি দোকানে গেলে আচমকা কয়েকজন যুবক আমাকে ঘিরে ধরেন। তারপর একটা গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যান তারা। হুমকি-ধমকির মুখে বার্মার নেত্রী ‘অং সান সু চির মতো নারী কখনো বৌদ্ধ নেতা হতে পারেন না। তিনি কুকুরের বাচ্চা...’ এসব গালিগালাজ করতে বাধ্য করা হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।’

ভিডিওতে দেখা যায়, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ‘তুই’ সম্বোধন করে ওই ভিক্ষুকে রোহিঙ্গাদের ওপর হামলার জন্য দায়ী করে অং সান সু চি এবং সেখানকার উগ্রবাদী বৌদ্ধদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতে বলা হয়। একপর্যায়ে তিনি ‘অং সান সু চির মতো নারী কখনো বৌদ্ধ নেতা হতে পারেন না। তিনি কুকুরের বাচ্চা...’ বলতে থাকেন।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর বেনাপোল পোর্ট থানার পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করে। ভোরে অভিযান চালিয়ে যাদের আইডি থেকে এই ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে, তাদের আটক করে পুলিশ।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওই ঘটনায় যে তিনজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, তাদের আটক করা হয়েছে। তাদের একজন ছাত্র, অন্য দুজন ব্যবসা করেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

বাংলাদেশের নতুন আইন স্কুল কলেজ টাইমে কোন ছেলে মেয়েকে পার্কে দেখলে জেল জরিমানা করা হবে

বাংলাদেশের নতুন আইন স্কুল কলেজ টাইমে কোন ছেলে মেয়েকে পার্কে দেখলে জেল জরিমানা করা হবে 

                

                             <<<<<<<<<<<<<< বিস্তারিত ভিডিও  দেখতে >>>>>>>>>>>>>>>

পিএনএস ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি’র বিপরীতের পার্ক বা খোলা উদ্যানটিতে গেলে মনে হবে, সরকার এই স্পটটি তৈরি করেছেন ডেটিংয়ের জন্য। মাঝে মাঝে এমন আপত্তিজনক অবস্থায় তাদের দেখা যায়, বাসার বেড রুমকেও হার মানায়।

একদিন বৃষ্টির দিনে সেখানে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছিল আমার। একটা করে বেঞ্চ, একটা করে ছাতা আর দুটো করে মানুষ। টাইটানিক ছবি’র লিও-ক্যাট ওখানে নিশ্চিত ফেল।


এই অবস্থা রমনা, চন্দ্রিমা উদ্যান, বোটানিক্যাল গার্ডেন, বলদা গার্ডেনসহ ঢাকার প্রায় সব পার্কের।


এসব স্থানের জোড়ায় জোড়ায় কপোত-কপোতিদের একান্ত বৈঠক দেখলে মনে হয়, সরকার ঐ এলাকাকে বোধহয় প্রাকৃতিক চিড়িয়াখানা ঘোষণা করে স্বামী-স্ত্রীদের (!) ছেড়ে দিয়েছেন। যারা নাকে তেল দিয়ে ঘুমা (ডেটিং কর) !!!


আইসিডিডিআরবি পরিচালিত এক গবেষণা জরিপ থেকে জানা গেছে, ‘বাংলাদেশের শহুরে তরুন-তরুনীদের ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই যৌন অভিজ্ঞতা হচ্ছে। প্রায় ৮০ শতাংশ তরুন-তরূনী পরোক্ষভাবে প্ররোচিত হয়ে যৌনকর্মে লিপ্ত হচ্ছেন। এদের এক তৃতীয়াংশ আবার লিপ্ত হচ্ছেন দলগত যৌনকর্মে।’ মোবাইল, কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের অবৈধ ব্যবহারের কারণে আমাদের যুব সমাজ খুব দ্রুত চরিত্রহীন হয়ে পড়ছে। যুবক-যুবতীদের হাতের হ্যান্ডসেট পরিণত হয়েছে পর্নোগ্রাফির ভান্ডারে। কয়েকমাস আগে ঢাবি পরিচালিত স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীদের কাছ থেকে পর্নোগ্রাফি উদ্ধার করা হয়েছে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীক মিনি পতিতা গড়ে ওঠার কথা সচেতন মহলের অজানা নয়।



<<<<<<<<<<<<<<<<প্রেমের নামে পার্কে যা চলে দেখতে ক্লিক করুন->>>>>>>>>>>>>>>

এই মডার্ণ যুগে ছেলেমেয়েদের খোলামেলা মেলামেশা থেকে বিরত রাখতে সকল ধরনের উপদেশই বিফলে যাবে নিঃসন্দেহে। এক্ষেত্রে মেয়েদের একটি বুদ্ধি দেয়া যায়, রিলেশনে জড়াবেন ভাল কথা। মেলামেশা করবেন তাও নিজেদের ইচ্ছা। কিন্তু একটু খোলামেলা মেলামেশার আগে অন্তত একটা দিন ভাবুন ‘যার সাথে আপনার সম্পর্ক, সে কি এখনো আপনার কথা পরিবারের কাছে উপন্থাপন করেছে। যদি না করে, তাকে এক সপ্তাহ সময় দিন। যদি এই সময়ের মধ্যে না করে, তাহলে তার সাথে আলাপ করুন। জানতে চেষ্টা করুন সমস্যা কি? যদিও এখানে কোনো সদুত্তর না পান, তাহলে…’ আর পরামর্শ নেই। বাকীটা আপনার সিদ্ধান্ত। শুধু এ কথা মনে রাখুনৃ ‘কোনো ক্লিপই আপনা থেকে অন্য ফোনে বা ইউটিউবে যায় না!
ছেলেদের বলছি ‘আপনার সাথের মানুষটি কি আপনাকে সব সময় পরিবারের সাথে সংশ্লিষ্ট বা ভবিষ্যত সংশ্লিষ্ট পরামর্শ দিচ্ছে? নাকি রেষ্টুরেন্ট ডেটিং এবং ঘুরাফেরাতেই ব্যস্ত? তাহলে বুঝতে হবে- ‘উসকা আদাতই এ সা’।

Thursday, September 14, 2017

কোটিপতি রোহিঙ্গা পরিবারটি এখন পথের ফকির

কক্সবাজার, ১২ সেপ্টেম্বর- মিয়ানমারের টম বাজার এলাকায় খালেদা বেগম ছিলেন এক বিত্তশালী পরিবারের সদস্য। মুসলিম অধ্যুষিত ওই বাজারে তারাই ছিলেন সবচেয়ে প্রভাবশালী। তাদের হার্ডওয়্যার, মুদির দোকানসহ বেশকিছু দোকান ছিল, যা অন্তত কোটি টাকা মূল্যের। বাড়িও ছিল ওই এলাকার মধ্যে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন। কিন্তু কোটিপতি থেকে মুহূর্তেই হয়ে গেলেন পথের ফকির।


         




রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনের মুখে সব দোকান, বাড়িসহ সহায় সম্পত্তি ফেলে চলে আসেন বাংলাদেশে। ১৫ দিনে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অনেক কষ্টে নাফ নদ ও কাঁটাতারের সীমারেখা পার হতে হয় তাদের। তবে তারা আসার পরপরই জানতে পেরেছেন, দোকান পাট ও বাড়িঘর জালিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত দুই দিন হলো লাম্বাবিল হয়ে কুতুপালং এসে তার আশ্রয় জুটেছে খোলা আকাশের নিচে। এখনো কোনো তাঁবু পাননি। মেলেনি কোনো ত্রাণও।

কুতুপালং সড়কের কাছে একটি নালার কিনারে কচু বাগানে বসে থাকতে দেখা যায় তাকে। অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছেন অজানা, অচেনা পথের দিকে। সবকিছুই তার কাছে অপরিচিত। তার কোলজুড়ে ৩ মাসের একটি বাচ্চাকেও কান্না করতে দেখা যায়। গতকাল দুপুরে যখন খালেদা বেগমের সঙ্গে কথা হয় তখন তিনি ছিলেন ক্ষুধার্ত। কিন্তু চেহারায় ছিল আভিজাত্যের ছাপ। ডান হাতে ছিল একটি গোল্ডেন রঙের ঘড়ি। পরনের পোশাকও ছিল অনেকটা মার্জিত। কিন্তু লজ্জায় ত্রাণের জন্য হাত পাততে পারছিলেন না।

তিনি জানান, বাংলাদেশে আসার পথে দুই লাখ মিয়ানমারের মুদ্রা কিয়াট নিয়ে আসলেও দালালদের খপ্পরে পড়ে আড়াই হাজার টাকায় তা বিক্রি করে দেন। গত দুই দিন কষ্ট করে এই টাকা দিয়ে পানি আর শুকনো কিছু খাবার কিনে বাচ্চাদের কোনোমতে খাওয়ান। কিন্তু পরিবারের অন্য সদস্যরাও না খেয়ে পথেই বসে রয়েছেন।

খালেদা খানম বলেন, টম বাজার এলাকায় তারা ছিলেন রাজার হালে। কোনো কিছুর অভাব ছিল না। তাদের প্রায় ১২ একর জমি ছিল। ত্রিশটির মতো গরু ছিল। দোকান পাট ছাড়াও আরও কিছু সম্পদ ছিল। সব মিলিয়ে হবে কোটি টাকার। এখন কার কাছে যাব, কি করব কিছুই দিশা পাচ্ছেন না তিনি। যৌথ পরিবারের সদস্য আলেয়া বেগমের কোলেও দেখা যায় এক ছোট্ট শিশু।

তিনি জানান, তার হাতে খাবার জন্য একটি টাকাও নেই। এখন চেয়ে খেতে হবে। এই বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। ওই পরিবারের পুরুষ সদস্য আবদুল হামিদ ও মৌলভি মাইনুদ্দিন জানান, তাদের পরিবারটি অনেক বড়। ৩০ সদস্যের সবাই বাংলাদেশে কষ্ট করে আসতে পারলেও সব সহায় সম্পত্তি ফেলে আসতে হয়েছে। এখন তারা শূন্য হাতে।

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীদের অবিবাহিত কোনো মেয়ে নেই যারা ধর্ষণের শিকার হয়নি

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীদের অধিকাংশই চলতি সপ্তাহেই মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসেছে। তাদের নৌকা থেমেছে শাপলাপুর গ্রামের সৈকতেই। স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তীরে নেমে আশ্রয় নিয়েছে সড়কের এক পাশে। কেউ খোলা আকাশের নিচে। কেউ শিশু আর বৃদ্ধা-বৃদ্ধর জন্য দুটি বাঁশ পুঁতে কাপড় টানিয়ে দিয়েছে। কোনো মতে সেই কাপড়ের নিচে আশ্রয় নিয়েছে ২০ থেকে ২২ জনের মতো। আবহাওয়াও যে তাদের সহায় না। টানা বৃষ্টি পড়ছে। আবার যেটুকু সময় বৃষ্টি নেই সে সময় পড়ছে রোদ।      
                                          >>>>>>>>>>>>> ধর্ষণের  ভিডিও <<<<<<<<<


                                          >>>>>>>>>>>>> ধর্ষণের  ভিডিও <<<<<<<<<

দিল মোহাম্মদ, রসুলসহ একাধিক বায়োজ্যেষ্ঠ রোহিঙ্গা ব্যক্তির সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, যে তাঁরা দুইদিন ধরে এ এলাকায় আছেন। স্বজনদের নিয়ে জীবনবাজি রেখে বাংলাদেশে এসেছেন। এসব বৃদ্ধ মানুষ নিজেদের একাধিক ছেলে হারিয়েছেন। মিয়ানমারে তাঁদের কারো গ্রামের নাম মেরুল্লা, কারো গ্রামের নাম রাসিদং।

দিল মোহাম্মদ বলেন, মিয়ানমারের পুলিশ, সেনাসদস্য, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং বেসামরিক মানুষরা মিলে খুনের নেশা মেতে উঠেছে। নির্বিচারে গুলি করা হচ্ছে। গুলি করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না তারা, গলা কেটে তা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলছে। হামলার কোনো দিন-রাত নেই।

মোহাম্মদ রসুল জানালেন, হামলার ভয়ে মানুষ মূড়ায় (পাহাড়ি বন) গিয়ে আশ্রয় নেয়। সেখানেও মুক্তি নেই। নির্বিচারে গুলি করা হয়। বনেও লাশ পাওয়া যায় রোহিঙ্গাদের।

দেশ ছেড়ে তরুণ আর তরুণী রোহিঙ্গারা আসে না? ওরা কোথায়? ষাটোর্ধ রহিম উল্লাহ বলেন, ওদের বাঁচিয়ে রাখলে তো! হামলা হলে সবার আগে মারা হয় তরুণ ও যুবকদের। গুলি করে থেমে থাকে না, মৃত শরীরটাকে নিয়েও যাচ্ছেতাই করে ওরা। আর তরুনী? অবিবাহিত কোনো মেয়ে নেই যারা ধর্ষণের শিকার হয়নি। ধর্ষণের পর ওদের বাঁচিয়ে রাখে না তারা। গলা কেটে হত্যা করে।

সলিমুল্লাহর বয়স ৬৫ হবে। এসব কথা শুনতে শুনতে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তাঁর দাবি, তাঁর দুই ছেলেকে হত্যা করেছে মিয়ানমারের সেনারা। তিনি জানালেন, তিনি এমন দৃশ্য দেখেছেন যা ভাবলেও তিনি ঘুমাতে পারেন না। সেটা কী? জানতে চাইলে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। বললেন, ‘একটা মাঠের কোনায় কেবল মানুষের কাটা মাথা স্তূপ করে রাখা হয়। গলা কেটে এনে মাথাটা ফেলা হয় ওই স্তূপে। স্তূপটা একসময় অনেক বড় হয়।’

সলিমুল্লাহর চোখের পাতা পড়ছিল না। একনজরে তাকিয়ে ছিলেন। দেশে বাড়িঘর, জমি আছে। আবার সব ঠিক হলে ফিরবেন না? তিনি বললেন, ‘যা দেখলাম, কীভাবে বলি সব ঠিক হয়ে যাবে? কীভাবে বলি আবার শান্তি আসবে?

মিরপুরে ম্যানহোল থেকে নিখোঁজ কিশোরের লাশ উদ্ধার

রাজধানীর মিরপুরে ম্যানহোল পরিষ্কার করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা।

বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।

তবে ১৫ বছরের ওই কিশোরের পরিচয় এখনো জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ডিউটি আফিসার এনায়েত হোসেন জানান, গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৪টার দিকে মিরপুরের ৭ নম্বরের চলন্তিকা মোড়ে অবস্থিত জিতা গার্মেন্টের পানির লাইনে সমস্যা দেখা দিলে তা পরিষ্কার করার জন্য এক কিশোরকে নামানো হয়। সেখানে নামার পর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তার লাশ উদ্ধার কর হয়।

বিডিপ্রতিদিন/ ইমরান জাহান/ ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭


                                                                     বিস্তারিত দেখতে >>>>

সিলেটে খাবারে বিষক্রিয়ায় প্রবাসীসহ ৬ জন হাসপাতালে

সিলেট নগরীর খাদিমপাড়া এলাকায় রাতের খাবার খেয়ে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন এক যুক্তরাজ্য প্রবাসী পরিবার।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে অজ্ঞান অবস্থায় প্রবাসী নামারা বেগমসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে ভর্তি করা হয় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বুধবার ভোররাতে নামারা বেগমকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্যরা হলেন- প্রবাসী ওই পরিবারের সদস্য মিসবাহ বেগম, মাইজা বেগম, মাহিমা বেগম, সাহেদা বেগম ও আজিজুর রহমান। তাদের জ্ঞান ফিরেছে এবং অবস্থা শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বাসার কেয়ারটেকার আল আমিন  জানান, সিলেট শহরতলীর খাদিম পাড়া ইউনিয়নের আল মদিনা আবাসিক এলাকায় প্রবাসী নামারা বেগম ও পরিবারের সবাই রাতের খাবার খাওয়ার পর থেকে বমি করা শুরু করেন। একসময় তারা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এ অবস্থায় রাত ১০টার দিকে প্রতিবেশি ও থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করা হয়। রাত ১২টার দিকে অসুস্থ ৬ জনকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। নামারা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় গতকাল বুধবার ভোররাত ৪টার দিকে তাকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।

বিডি প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দী
    

                                                                  বিস্তারিত দেখতে >>>>

খোলা আকাশের নিচে জন্ম নিল দুই রোহিঙ্গা শিশু।

খোলা আকাশের নিচে জন্ম নিল দুই রোহিঙ্গা শিশু। ঘটনাক্রমে নিউজ টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরার সামনে। কোন রকম প্রশিক্ষিত চিকিৎসক ছাড়া অদক্ষ-অপরিচিত এক নারীর সহায়তায়। প্রতিদিনই এভাবে প্রতিকূল পরিবেশে জন্ম নিচ্ছে অনেক বাস্তুচ্যুত শিশু, যার বেশীর ভাগই স্বাস্থ সেবার আওতায় আসছে না।  এর রিপোর্টে দেখবো সেই চিত্র। ছবি তুলেছেন আর সঙ্গে ছিলেন ইসমত আরা ইশু।